৩১ জানুয়ারী ২০২৩, মঙ্গলবার
--বিজ্ঞাপন-- Nagad

আয় বহির্ভূত সম্পদ: পুলিশের বরখাস্ত ডিআইজি রশিদের ৫ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
spot_img
  1. জ্ঞাত আয়ের বাইরে তিন কোটি আট লাখ টাকার সম্পদ থাকার অভিযোগের মামলায় কারারক্ষী বাহিনীর বরখাস্ত হওয়া উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বজলুর রশিদের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ধরনের মামলায় এ প্রথম কোনো ডিআইজি সাজা পেলেন।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন রবিবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ১১টায় এ রায় ঘোষণা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ২৩ অক্টোবর দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। গত ২২ সেপ্টেম্বর সবশেষ যুক্তিতর্কের সময় দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল আদালতকে বলেন, আসামির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে তিন কোটি ১৪ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

তবে বজলুর রশিদের বেকসুর খালাস দাবি করে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা বলেন, প্রসিকিউশন অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এর আগে মামলার অভিযোগকারীসহ প্রসিকিউশনের ১৪ জন সাক্ষীর রেকর্ড করা জবানবন্দি। এই মামলায় ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

দুদকের উপ-পরিচালক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন একই বছরের ২৬ আগস্ট ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দায়ের করা মামলায় দুদক বজলুরকে আটক করে গত বছরের ২০ অক্টোবর তাকে গ্রেপ্তার দেখায়। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বজলুর রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের দ্বিতীয় তলায় দুই হাজার ৯৮১ বর্গফুট ফ্ল্যাট কিনতে ২০১৮ সালে রূপায়ণ হাউজিং এস্টেটের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। চুক্তিতে ফ্ল্যাটটির মূল্য বাবদ ৩ কোটি ৯ লাখ টাকা লেনদেনের বিষয়ে বলা হয়েছিল। পরে তদন্তে এই টাকার অংক তিন কোটি ১৪ লাখ টাকা হয়। ওই বছরের ২০ এপ্রিল থেকে ৭ জুনের মধ্যে তিনি নগদ ও চেকে এই অর্থ পরিশোধ করেন। কিন্তু, দুদক কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সেই টাকার সঠিক কোনো উৎস তিনি দেখাতে পারেননি।

১৯৯৩ সালে জেলসুপার হিসেবে চাকরি শুরু করেন বজলুর রশিদ। ২০১৩ সালে তাকে ডিআইজি প্রিজন হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। ২০১৬ সালে তাকে বদলি করে ঢাকায় আনা হয়।

সর্বশেষ নিউজ