১৭ এপ্রিল ২০২৪, বুধবার

ঢাকা শহরকে ধিক্কার দিয়ে চলে গেলো আসমা

রুবেল খান

 

পুকুর থেকে ওষু করে মাগরিবের নামাজ পড়ে জায়নামাজে বসে কোরআন পড়ছিলো খুলনার কয়রা থানার আসমা খাতুন। ঠিক এ সময় তার শশুর কথা বলবে বলে ফোন ধরিয়ে দেয়ার পর তার আর কিছু বলতে পারেনি আসমা।

পরের দিন অচেতন অবস্থায় একটি রুমে সেখান থেকে পালিয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে আনুমানিক সকাল ৬ থেকে সাড়ে নয়টা পযন্ত কোন মানুষের কাছে থেকে সে একটা ফোন নিয়ে ফোন করতে পারেনি।কা

হাফিজ উদ্দিন ঢাকায় থাকাকালীন সময় দাদার দোকানে আড্ডা দিতেন। নাস্তা করবেন বলে সেখান থেকে বের হবেন,ঠিক এ সময় ভাই হাফিজকে বাচান বলে এসে বসলো।

তাকে শান্ত করে হাফিজ উদ্দিন বললেন, কি হয়েছে আপনার ?

বললো জানি না ভাই। তার চোখ এবং মুখ দেখে মনে হলো, সে মিথ্যা বলছে না।

হাফিজ উদ্দিন বলেন, তাকে ফোন দিলাম। সে তার মায়ের সাথে কথা বলেই গ্যান হারিয়ে ফেললো। তার মায়ের আকুতি শুনে ঠিক থাকতে পারলাম না।

অতপর তার বাবা মায়ের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হলাম, আসমাকে কিডনাপ করা হয়েছে। আসমার মাকে নিশ্চিত করলাম আপনার মেয়ে নিরাপদেই আপনার কাছে ফিরে যাবেন।

৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশি সহয়তায় আসমাকে তার বাবা মায়ের কাছে নিরাপদে পৌঁছে দিতে পেরেছি।

জানি না আসমার সাথে আর দেখা হবে কিনা। যাবার সময় শুধু বললো অনেক মানুষে হাতে পায়ে ধরেছি মা র সাথে কথা বলবো কেও ফোন দেয় নাই জীবনে ঢাকা শহরের নাম শুনেছি দেখিনি।

আসমার মা বাবা ফোনে যেভাবে তাদের মেয়েকে ফিরে পাওয়ার পর অনুভূতি প্রকাশ করেছে, তা বলার ভাষা আমার জানা নাই।

 

 

সর্বশেষ নিউজ