প্রহেলিকার প্রাণ পুরুষ লেগেছে আমার দৃষ্টিতে জামসেদ চরিত্রের নাসিরউদ্দিন ভাইয়াকে। উনাকে যতক্ষণ দেখেছি আমি চোখ সরাতে পারিনি। আর একজন চমৎকার গানের কথা দিয়ে মুহুর্তগুলো সাজিয়ে তোলা আমাদের প্রিয় Asif Iqbal ভাইয়া। প্রতিটি গান সুন্দর।
একেবারে ছোট্ট বেলায় যে ছবিগুলো দেখতাম একটা ফিল্মের চার, পাচঁটা গানই মানুষকে ছুঁয়ে যেতো। এই ফিল্ম এর গানগুলোও ঠিক তেমন। পুরো প্রহেলিকা টিমের জন্য শুভ কামনা।
ম্যাডাম সুচিত্রা সেন- শ্রদ্ধেয় শাবানা, ববিতা, কবরি ম্যাম এবং শেষ শাবনুর আপা পর্যন্ত আমার নিয়মিত বাংলা সিনেমা দেখা।
এখনো সপ্তাহে মিনিমাম দুইটা ইউটিউবে সেই সাদাকালো দিনের ছবিগুলো দেখি, পরশু রাতের দেখা ছবি- ঋত্বিক ঘটক পরিচালিত -মেঘে ঢাকা তারা –যে চলচ্চিত্রটি নির্মান হয়েছে ১৯৬০ সালে। এতো বছর আগেও পরিবেশের সাথে মিলিয়ে কি অসাধারণ কস্টিউমস। একরাশ মুগ্ধতা শুধুই মুগ্ধতা।
প্রহেলিকা নিয়ে আমার একান্ত একটা নেতিবাচক মন্তব্য –
তা হলো মেঘের নৌকা গানটায় বুবলীর কস্টিউমস। সাগর, নদী, বিচের কিনার ঘেঁষে, এমনকি সাগরের পাড় ঘেঁষে বড়ো পাথরগুলোর উপর – এ কালে সে কালে সব কালেই খালি পায়ে হাঁটতে দৌড়াতে দেখেছি নাইকাকে। এমনকি আমরা নিজেরাও যখন এই পরিবেশ গুলোতে যাই সেখানে খোলা পা থাকে। প্রকৃতির এই পরিবেশের সাথে নারীর শাড়ি পরা খোলা পা একটা নান্দনিকতার প্রতিচ্ছবি। যা এই ফিল্ম এ পাওয়া যায়নি।
অদ্ভুত লাগলো মেঘের নৌকা গানটায়- পুরোটা গানে এই পরিবেশগুলোতে বুবলীর পায়ে ইয়া উঁচু একটা সাদা রঙা জুতো। এমনকি একবার জুতার ফিতা খোলা দেখা গেছে।।। চলচ্চিত্রে শুধু অভিনয় আর গল্প নয়! একটা পাসিং ক্যারেক্টারও একটি চলচ্চিত্রের প্রাণ।।।

