৩১ জানুয়ারী ২০২৩, মঙ্গলবার
--বিজ্ঞাপন-- Nagad

ন্যায় বিচার পেতে হাসানের দীর্ঘ লড়াই

মিজান মালিক
spot_img

তাদের দাবি ছিল কিছু নগদ টাকা। সে জন্য অনেক চাপাচাপি করা হল। কিন্তু হাসানের কথা ছিল, আমি কোন অন্যায় করিনি। টাকা দেব না। তারা কয়েকজন ডিবির লোক পরিচয় দিয়ে পুরানাপল্টনে বন্ধু হোটেলে হানা দেন। হাসান ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার।

ডিবির সেই লোকগুলো হাসানের সঙ্গে খুব পীড়াপীড়ি করলো। এক পর্যায়ে হোটেলের কাউন্টার থেকে হাত করা পড়িয়ে তাকে নিয়ে আসা হলো। চোখ মুখ বাঁধা। পরে জানতে পারেন তাকে জাল টাকার ব্যবসায়ী বানিয়ে মামলার আসামি করা হলো। আনা হলো রিমান্ডে। মামলায় বলা হলো তাকে ফকিরাপুল কাঁচা বাজার থেকে জালটাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অথচ বন্ধু হোটেলের সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা তথ্য বলছে, তাকে ফকিরাপুল কাঁচা বাজার নয়, নিজ অফিস থেকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিজেকে নির্দোষ প্রমাণে হাসান দীর্ঘ ছয় বছর লড়েছেন। ইতিহাস অনেক করুন। নির্মম। জমিজমা সব শেষ। জীবনের সোনালী অধ্যায়ের ছয় বছর শেষ। আজ সেই মামলার রায়ে ঢাকার আদালতে থেকে খালাস পেয়েছেন হাসান।

কিন্তু যারা হাসানের জীবনের এমন পরিস্থিতি তৈরি করলো তাদের কী কিছু হবে?

প্রসঙ্গত, আমাদের সময়ে থাকাকালীন আমি হাসানের বিরুদ্ধে করা মামলাটি যে বানোয়াট এবং তা থেকে তার মুক্তি দাবি করে একটা দীর্ঘ কলাম লিখেছিলাম। শুধু আমি একা ন‌ই, আমাদের অনেক সহকর্মী ও দেশের প্রথম সারির প্রায় সব পত্রিকা হাসানের পক্ষে ছিল। ন্যায়ের পক্ষে ছিল। তারপরও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হতে তার জীভন থেকে অনেকগুলো সময় চলে গেল।

(সিনিয়র সাংবাদিক মিজান মালিকের ফেসবুক পেজ থেকে)

সর্বশেষ নিউজ