২০ জুলাই ২০২৪, শনিবার

চিকিৎসক নাজনীন হত্যা:হত্যাকান্ডের ১৮ বছর পর কাশিমপুরে আমিনুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর 

নিজস্ব প্রতিবেদক
spot_img

 

ল্যাবএইড হাসপাতালের চিকিৎসক নাজনীন আক্তারের স্বামী তার ভাগ্নে আমিনুলকে লেখাপড়া করানোর জন্য ঢাকায় নিয়ে এসেছিলেন। ভর্তি করেন মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজে। ঢাকায় এসে আমিনুলের মতিগতি পাল্টে যায়। ২০০৫ সালের ৭ মার্চ হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরার পর নাজনীনকে কুপিয়ে হত্যা করে আমিনুল। পারুল নামে এক গৃহকর্মী ঘটনাটি দেখে ফেলায় তাকেও কুপিয়ে হত্যা করে সে।

ওই ঘটনার ১৮ বছর পর চিকিৎসক মামী ও গৃহকর্মী হত্যা মামলায় ঘাতক আমিনুলের ফাঁসি কার্যকর করা হলো।

বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির ও সিভিল সার্জন ডা. খাইরুজ্জামানের উপস্থিতিতে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিনুল ইসলাম (৪২) নওগার পত্নীতলা থানার আকবরপুর গ্রামের চাঁন মোহাম্মদ মন্ডলের ছেলে।

 

মামীসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় আমিনুলের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় করা হত্যা মামলা হয়। ২০০৮ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ৪ আমিনুলকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়। ২০১৩ সালে এ আদেশ বহাল রাখেন হাইকোর্ট। এ রায়ের বিরুদ্ধে জেল আপিল করলে ২০২১ সালের ১২ জুলাই খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।

আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে আমিনুলকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। পরে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে কারা কারা কর্তৃপক্ষ।

সর্বশেষ নিউজ