সৌদি আরবের ওয়ার্ক ভিসা প্রদান প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে বাংলাদেশে অবস্থিত দেশটির দূতাবাসের দুই কর্মকর্তাসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন। শনিবার সৌদি আরবের তদারকি ও দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষ (নাজাহা) গ্রেপ্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
রবিবার আল অ্যারাবিয়ার এক প্রতিবেদেনে বলা হয়, দূতাবাসের কনস্যুলার সেকশনের প্রধান আবদুল্লাহ ফালাহ মুদি আল-শামারি এবং তার ডেপুটি খালেদ নাসের আয়েদ আল-কাহতানি গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন। এছাড়াও গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তা, আট বাংলাদেশি বাসিন্দা এবং দর্শনার্থী এবং একজন ফিলিস্তিনি বিনিয়োগকারী রয়েছেন বলে নাজাহা জানিয়েছে।
কর্মকর্তারা কাজের দূতাবাসে কর্মরত থাকাকালীন ভিসা দেওয়ার বিনিময়ে কিস্তিতে ৫ কোটি ৪০ লাখ সৌদি রিয়াল নিয়েছেন বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৫৪ কোটি টাকা।
নাজাহা জানিয়েছে, সন্দেহভাজনরা ‘অবশিষ্ট অর্থ রাজ্যের বাইরে বিনিয়োগ করার সময় আটককৃত বাসিন্দাদের মাধ্যমে অর্থের কিছু অংশ গ্রহণ করার কথা স্বীকার করেছে।’
কর্তৃপক্ষ টুইটারে জানিয়েছে, এই প্রকল্পে জড়িত কিছু বাসিন্দার বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় মোট ৫০ লাখ ৩৮ হাজার ডলার, সোনা এবং গাড়ি পাওয়া গেছে।
নাজাহা জানায়, এটাই প্রমাণিত হয়েছে যে তারা কিংডমে ওয়ার্ক-ভিসা বিক্রির মাধ্যমে আয় করেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
কর্তৃপক্ষ জোর দিয়ে বলেছে, যারা পাবলিক অবস্থান শোষণ করে বা অফিস ছাড়ার পরেও জনস্বার্থ এবং অর্থের অপব্যবহার করে তাদের কাউকে ছাড় দিবে না।