২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, বুধবার
--বিজ্ঞাপন-- Bangla Cars

শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে হিরো আলমের মানববন্ধন

বগুড়া প্রতিনিধি
spot_img

এই সময়ের আলোচিত একটি চরিত্রের নাম আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। তিনি সম্প্রতি বগুড়ায় উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে গিয়ে মানুষের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন। এরপর একের পর এক আলোচনার জন্ম দিচ্ছেন। এবার তিনি নিজ জেলার একটি স্টেডিয়ামের পক্ষে দাঁড়ালেন।

বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম থেকে জনবল প্রত্যাহারসহ ভেন্যু বাতিলের প্রতিবাদে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে বিসিবির বিরুদ্ধে আজ সকালে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। তার অনুসারীরাও মানববন্ধনে অংশ নেন।

মানববন্ধনে হিরো আলম বলেন, ‘১৫ বছরে বগুড়ার উন্নয়নে তেমন কোনো কাজ হয়নি। স্টেডিয়ামের মালামাল ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আর প্রতিবছর যেন জাতীয় দলের একটি করে খেলা হয় সেই ব্যবস্থা করা হোক।’

তিনি বলেন, স্টেডিয়ামের ভেন্যু বাতিল করে বীর শহীদ চান্দুর আত্মত্যাগের অমর্যাদা করা হয়েছে। বগুড়ার মানুষ এই বঞ্চনা মুখ বুঝে সহ্য করতে পারে না। যৌক্তিক আন্দোলনের মাধ্যমে শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে ভেন্যু বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে এখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনে বিসিবিকে বাধ্য করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে একটি টেস্ট ও পাঁচটি ওয়ানডে হওয়ার পর আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয়নি বগুড়ায়। তবে সচল ছিল ঘরোয়া ক্রিকেট। সেই সুবাদে এই মাঠের ভালোমন্দের দেখভালও করে আসছিল বিসিবি। পরে সেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ায় বিসিবি।

জানা যায়, বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে দ্বন্দ্বের জের ধরে স্টেডিয়ামের মূল মালিক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) কাছে স্টেডিয়ামটি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। গত বৃহস্পতিবার এনএসসি সচিব বরাবর পাঠানো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। ওই দিনই শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে কর্মরত বিসিবির ১৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বগুড়া থেকে প্রত্যাহার করে মিরপুরে বিসিবির কার্যালয়ে রিপোর্ট করতে বলা হয়। এ ছাড়া স্টেডিয়ামে থাকা রোলার, সুপার সপার, পিচ কাভারসহ মাঠ ও খেলার যাবতীয় সরঞ্জাম এবং ড্রেসিংরুমের আসবাব ঢাকায় নিয়ে গেছে বিসিবি।

হিরো আলম তার বক্তব্যে আরও বলেন, বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের বিরুদ্ধে এক শ্রেণির সিন্ডিকেট কাজ করছে। বগুড়ায় স্টেডিয়াম থাকুক তারা চায় না। এরা চায়, স্টেডিয়াম থেকে সব চলে যাক। এরপর যখন স্টেডিয়াম পরে থাকবে ওই লোকেরা তখন মাঠে জুয়ার বোর্ড বসাবে, মেলা করার চেষ্টা করবে, কোরবানি এলে হাট বাসবে।

আলোচিত এই ইউটিউবার বলেন, সিন্ডিকেট চায় স্টেডিয়াম যেন না থাকে। তখন ওরা ৯৯ বছরের জন্য মাঠ লিজ নিয়ে যা ইচ্ছা তাই করবে।

স্টেডিয়ামের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার পেছনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দায় নেই দাবি করে তিনি বলেন, বিসিবির দোষ নেই। তারা এখানে কাজ করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ওই সিন্ডিকেট কাজে বাধা দিচ্ছে। তারাই বিসিবির খেলা আসার আগে চিঠি দিয়ে বাধা দিয়েছে যেন খেলা না হয়। তবে তিনি এ প্রসঙ্গে কারো নাম নেননি।

সর্বশেষ নিউজ