৫ আগস্ট গণ বিপ্লবের পর থেকে দেশ ছেড়ে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। তারই ধাবাহিকতায় এখন পর্যন্ত বেশ কিছু সাবেক মন্ত্রী, এমপি,সচিব,নেতা,পাতিনেতা যে যেভাবে পেরেছেন ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন।
এদিকে,১২ অক্টোবর অবৈধভাবে ভারতে পালানোর সময় বিজিবির হাতে আটক হয়েছেন ওএসডি থাকা সরকারের যুগ্ম সচিব এ.কে.এম.জি কিবরিয়া মজুমদার। ১৩ অক্টোবর দুপুরে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা যায়।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল হক কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আটক যুগ্ম সচিবের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় হত্যা ও অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।
সেই মামলায় তিনি পলাতক আসামি ছিলেন। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর সময় কিবরিয়া মজুমদারকে আটক করা হয়েছে বলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবির তরফ থেকে জানানো হয়।
সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এ এম জাবের বিন জব্বার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, দুপুরে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর অধীনস্থ সালদানদী বিওপির দল টহল দিচ্ছিল। এ সময় আন্তর্জাতিক সীমারেখা সীমান্ত পিলার ২০৫০/৮-এস হতে ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুটিয়া নামক স্থানে ভারতের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশের প্রাক্কালে তাকে ঘুরাঘুরি করতে দেখা যায়। এ সময় এ. কে. এম. জি. কিবরিয়া মজুমদার নামে একজনকে আটক করেন বিজিবি।
পরে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় কিবরিয়া মজুমদার জাতীয় সংসদের প্রাক্তন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী এর অধীনে যুগ্ম সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যকলাপে সংশ্লিষ্টতা থাকার প্রেক্ষিতে দেশ ত্যাগের উদ্দেশ্য সীমান্তে অবস্থান করছিলেন।
ভারতের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকায় অপেক্ষারত অবস্থায় তিনি বিজিবির হাতে ধরা পড়েন। ভারত সীমান্তে এমন ঘটনা প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে।সরকারের পক্ষ থেকে সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোড়দার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে।
(এএ/ ফারহানা সুমনা)

