সাদিক কায়েমের ফেসবুক পোস্টে ছাত্রশিবির নিষিদ্ধকরণ ও জুলাই বিপ্লব

নিজস্ব প্রতিবেদক
spot_img
spot_img

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নায়ক সাদিক কায়েম তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি গতবছরের এই দিনে ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করার ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য এবং জুলাই বিপ্লবে ছাত্রশিবিরের ভূমিকা তুলে ধরেন।

শুক্রবার (১ আগস্ট) দুপুরে ফেসবুকের মাধ্যমে এসব তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

সাদিক কায়েম লিখেছেন, “জুলাই বিপ্লবে দেশবাসীর স্বতস্ফুর্ত আন্দোলনকে মোকাবেলায় চরমভাবে ব্যর্থ হয়ে সবশেষে সকল দায় ইসলামী ছাত্রশিবিরকে দিয়ে গতবছরের আজকের এই দিনে ফ্যাসিস্ট হাসিনা ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। মূলত এই নিষিদ্ধ করাই ছিল ইসলামী ছাত্রশিবিরের উপর ক্রাকডাউন চালানো এবং ছাত্রশিবিরকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলার মিশনের বৈধতা।”

তিনি উল্লেখ করেন, শিবিরের কণ্ঠ রোধ করে আন্দোলনের গতি থামিয়ে জুলুমশাহী টিকিয়ে রাখার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু বিপ্লবী নেতৃত্বের বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের কারণে শিবির ফাঁদে পা দেয়নি। বরং আন্দোলনের সার্বজনীনতা ধরে রেখে কৌশলগতভাবে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে, যার ধারাবাহিকতায় সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের ঐক্যবদ্ধ লড়াই নিশ্চিত করে “ফতহে গণভবন”।

সাদিক কায়েম আরও লিখেন, “বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সর্বদাই রাষ্ট্রের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপোষহীন ভূমিকা রেখেছে। আধিপত্যবাদ, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিজ্ঞাবদ্ধভাবেই লড়াই করে আসছে জন্মলগ্ন থেকে। ছাত্রশিবিরকে মুছে দিতে যতই অপচেষ্টা করা হোক না কেন, শিবিরের অস্তিত্ব এই দেশের মাটি-মানুষের সাথে সর্বদাই মিশে থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”

এই পোস্টে তিনি আবারও স্পষ্ট করে দেন যে ছাত্রশিবিরকে ধ্বংস করার সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও সংগঠনটি দেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাবে।

সর্বশেষ নিউজ