জ্যৈষ্ঠের এই প্রখর গরমে কিছুটা স্বস্তি নিয়ে আসতে পারে আজকের সন্ধ্যার ঝড়—বৃষ্টি। দেশের ছয়টি জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতির ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে, আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, আজ ২১ মে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর—পশ্চিম দিক থেকে দমকা কিংবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
কোথায় কেমন আবহাওয়া থাকবে : বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকাল ৯টা পর্যন্ত: রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে অনেক জায়গায়, ঢাকা ও সিলেট বিভাগে কিছু কিছু এলাকায়, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে দু—এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারি বৃষ্টিপাতেরও আশঙ্কা রয়েছে।
শুক্রবার (২৩ মে) পর্যন্ত: উত্তরাঞ্চলের বিভাগগুলোতে (রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট) কিছু কিছু জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগে (রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম) দু—এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।
শনিবার (২৪ মে) ও রোববার (২৫ মে) সকাল ৯টা পর্যন্ত:দেশের প্রায় সব বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় বজ্রসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।এই সময় রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।
সোমবার (২৬ মে): চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে বেশি বৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু—এক জায়গায়ও দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
সর্বশেষ বৃষ্টিপাতের পরিসংখ্যান : গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে সর্বোচ্চ ১৯৪ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া: নোয়াখালীর মাইজদীকোর্ট — ১৯২ মি.মি. রংপুর — ৮৮ মি.মি. রাজারহাট (নীলফামারী) — ৭৬ মি.মি. সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) — ৭৪ মি.মি. শ্রীমঙ্গল — ৬৫ মি.মি. নারায়ণগঞ্জ — ৬২ মি.মি. দিনাজপুর — ৬১ মি.মি.
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এসব বৃষ্টিপাতের প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ—পশ্চিম মৌসুমি বায়ু চট্টগ্রাম উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে।

