পঞ্চগড়ে পাশের হার ৪৩ দশমিক ১৯ শতাংশ, তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য ফলাফল

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
spot_img
spot_img

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে এবার পঞ্চগড় জেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাশ করতে পারেনি। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—বোদা উপজেলার বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ। বৃহস্পতিবার ফলাফল প্রকাশের পর এই তথ্য জানা যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়, যার মধ্যে ৪ জন অনুপস্থিত ছিল। মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে অংশ নেয় মাত্র ১ জন শিক্ষার্থী, আর আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ থেকে ৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়, যার মধ্যে দুইজন অনুপস্থিত ছিল। এসব প্রতিষ্ঠান এখনো এমপিওভুক্ত নয়।

এদিকে, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় পঞ্চগড় জেলায় মোট পাসের হার ৪৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। জেলায় পরীক্ষায় অংশ নেয় ৬ হাজার ৭১২ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থী ৩ হাজার ২২৬ জন এবং মেয়ে শিক্ষার্থী ৩ হাজার ৪৮৬ জন। পাস করেছে ২ হাজার ৮৯৯ জন, আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১৩ জন।

জেলা শহরের সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ৬৬৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৪৩৬ জন পাস করেছে এবং ৫২ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। মকবুলার রহমান সরকারি কলেজ থেকে ৫৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৩৪৩ জন পাস করেছে এবং ২২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

মাড়েয়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সপেন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, “আমাদের কলেজ শাখা এমপিওভুক্ত হয়নি। কয়েক বছর ধরে শিক্ষক নেই। এজন্য একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও পাশ করতে পারেনি।”

বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নার্গিস পারভিন মৌসুমী বলেন, “ভর্তি হওয়ার পর সবার বিয়ে হয়ে গেছে। এজন্য কেউ পাশ করতে পারেনি।”

আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজের অধ্যক্ষ হাসান আলী বলেন, “আমাদের কলেজের চারজনের মধ্যে দুইজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। দুইজনই পাশ করার কথা ছিল। আমরা বোর্ড চ্যালেঞ্জ করবো।”

পঞ্চগড়ের ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা অফিসার খায়রুল আনাম মো. আফতাবুর রহমান হেলালী বলেন, “যেসব প্রতিষ্ঠানের কেউ পাশ করতে পারেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করা হবে। এই ফলাফলের কারণ খুঁজে বের করে এখান থেকে কিভাবে উত্তরণ সম্ভব, সে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ নিউজ