বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
সোমবার (১ জুন) বিকাল ৪টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, আগামীকাল মঙ্গলবার হেলিকপ্টার অথবা মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যানে করে মরদেহ নিজ জেলা ভোলায় নেয়া হবে। সেখানে জোহরের নামাজের পর ভোলা জেলা স্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
তোফায়েল আহমেদের স্বজনরা জানান, মরদেহ কিছুক্ষণের মধ্যে ধানমন্ডির ১২/এ-তে তাকওয়া মসজিদে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানেই মরদেহের গোসল করানো হবে এবং বাদ মাগরিব প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার তার নিজ জেলা ভোলায় আবার জানাজা শেষে দাফন করা হবে। প্রবীন এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও একমাত্র সন্তান ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীকে রেখে গেছেন।
রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদের হাতেখড়ি হয় ছাত্রলীগের মাধ্যমে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন ১৯৬৬-৬৭ মেয়াদে ইকবাল হলের (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) নির্বাচিত ভিপি ছিলেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন।

