দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের প্রায় ৭৪ শতাংশ শিক্ষার্থী জীবনের কোনো না কোনো সময়ে র্যাগিং বা বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে একটি গবেষণায় উঠে এসেছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ৯ হাজার ৪৭৪ জন শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ উত্তর বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাঁদের মধ্যে ৭ হাজার ১১ জন র্যাগিং বা বুলিংয়ের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
গবেষণায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ৪৫ দশমিক ৪ শতাংশ মাঝারি এবং ১১ দশমিক ৯ শতাংশ গুরুতর মাত্রার বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন।
‘স্বাস্থ্য ও শিক্ষাগত সাফল্যের ওপর প্রভাব’ শিরোনামের গবেষণাটি আন্তর্জাতিক সাময়িকী ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড অ্যাডিকশন-এ প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণার তথ্য সংগ্রহ করা হয় ২০২৪ সালের মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশের ৫৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
র্যাগিংয়ের মধ্যে মৌখিক বিদ্রূপ, সামাজিকভাবে হেয় করা, শারীরিক নির্যাতন, অনলাইন হয়রানি এবং যৌন হয়রানির মতো আচরণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উত্তরদাতাদের বড় অংশ আধিপত্য বিস্তারকে র্যাগিংয়ের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
গবেষণায় র্যাগিংয়ের সঙ্গে উদ্বেগ, বিষণ্নতার উপসর্গ এবং শিক্ষার্থীদের খারাপ শিক্ষাগত ফলের সম্পর্কও পাওয়া গেছে। গবেষকেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কার্যকর অ্যান্টি-র্যাগিং নীতি ও সহায়তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

