গাজীপুরের টঙ্গীতে প্রথম শ্রেণির এক শিশুশিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসাশিক্ষক মোসলেম আহম্মদকে মারধর করে পুলিশে দিয়েছেন শিশুটির স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) আউচপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির বাবার মামলায় গ্রেফতারের পর বৃহস্পতিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিশুটির বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর শিশুটি মাদরাসায় যেতে চাইছিল না। কারণ জানতে চাইলে প্রথমে কিছু না বললেও পরে অভিভাবকদের কাছে নির্যাতনের অভিযোগ জানায়।
এরপর স্বজনরা মাদরাসায় গিয়ে শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে শিক্ষককে মারধর করা হয়। পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মারধরের কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর, প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর এবং টাকা ও মোবাইল ফোন লুটের পালটা অভিযোগ করেছে। শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি মেয়ের অভিযোগের বিচার চাইতে গিয়েছিলেন।
শিশুর প্রতি যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এবং মারধর-ভাঙচুরের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

