যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পুরোনো কোনো চক্র জড়িত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রশ্নফাঁসের ঘটনা তদন্তে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ কাজ করছে। সিআইডির ফরেনসিক দল বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।
তিনি বলেন, নিয়োগ কমিটির সদস্য ছাড়াও প্রশ্নপত্র ছাপানো, ফটোকপি করা এবং বিভিন্ন কেন্দ্রে পাঠানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকাও তদন্ত করা হচ্ছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১০ অক্টোবর সকাল ১১টায় পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। সকাল ১০টা ৩ মিনিটের দিকে তার কাছে প্রশ্নফাঁসের তথ্য আসে। কয়েক মিনিটের মধ্যে মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের মিল পাওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলেও ছাড় দেওয়া হবে না।
স্থগিত পরীক্ষা আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল ৩টায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে শুরুতে তিন দিন সময় দেওয়া হলেও পরে সময় বাড়ানো হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

