বিভিন্ন মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ সামনে আসায় প্রতিষ্ঠানগুলোর তদারকি, অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা এবং কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাম্প্রতিক ঘটনার পাশাপাশি পুরোনো কয়েকটি অভিযোগ নিয়েও রোববার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজীপুরের গাছা থানার একটি কওমি মাদ্রাসায় আট বছরের এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগে শিক্ষক ও পরিচালককে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, পরিবার বিষয়টি জানানোর পরও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ঘটনা গোপনের চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এক মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে নির্যাতনের মামলায় গত ৩ আগস্ট প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করে র্যাব।
এসব অভিযোগ ভিন্ন সময়ের ও পৃথক প্রতিষ্ঠানের। সব ঘটনাকে রোববারের ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তবে অভিযোগ জানানোর পর দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং পরিচালনাকারীদের ভূমিকা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তদারকির প্রশ্ন সামনে এসেছে। অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত ও বিচারাধীন বিষয়।

