কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাহিদা বেগম তাঁর ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পেছনে দুটি সম্ভাব্য কারণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির মানববন্ধনে তাঁর সহকর্মী সহযোগী অধ্যাপক কামরুন নাহার এ তথ্য তুলে ধরেন।
নাহিদা বেগমের সন্দেহ, হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ দিন আগে অপ্রতিমের বাবার প্রতিষ্ঠানে এক কিশোরের চাকরি নেওয়ার সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্র থাকতে পারে। পাশাপাশি সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় মাদকবিরোধী অভিযানে কয়েকজন কিশোর অপরাধীকে পুলিশে দেওয়ার ঘটনাও প্রতিশোধের কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।
মামলার প্রধান আসামি সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন ওই কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিতেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
এ ছাড়া গ্রেপ্তার দুই আসামিকে অপ্রাপ্তবয়স্ক দেখানো নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অপ্রতিমের মা। তাদের প্রকৃত বয়স যাচাই এবং হত্যাকাণ্ডের সব সম্ভাব্য কারণ তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

