নিজেকে ভার্জিন দাবি করা মেঘনা আলম এবার সালমান মোক্তাদিরের সমালোচনার করে পোস্ট দিলেন। তিনি বলেন, সালমানের সাথে আমার মেসেজ ছিল ইনবক্সে।
ইউনুস আমলে, ডিবি অফিসে যখন আমাকে কিডন্যাপ করে নিয়ে যাওয়া হয়, আমার সব ফোন ম্যাকবুক এর পাসওয়ার্ড দেয়া ছিল, ঘাটাঘাটি করার সময় এক পর্যায়ে এক তদন্ত কর্মকর্তা বলে উঠে এই সালমান মুক্তাদির দুনিয়ার সব গেঞ্জামে কিভাবে ঢুকে পরে?! সালমানের সাথে আমার মেসেজ ছিল ইনবক্সে। প্রসঙ্গতই, সব গেঞ্জামে কমন যখন একজন থাকে, তখন গেঞ্জাম আসলে ওই ব্যক্তির ভেতরেই থাকে।
এই সালমান যে এক সময় আমার কষ্টে কষ্টিত হয়ে আমার বাসায় বাসন ধুয়ে দিতেও আসতে রাজি থাকত, যাকে বলেছিলাম, আগে ডিপ্রেশন থেকে ঠিক হও, তারপর মিট করব, কারণ মনে হত দুনিয়ার এত হতাশা আমি হিল করতে পারব না।
যেই সালমান কে আর ১০ টা মানুষের মত জাজ না করে, ওর ছোট ছোট উন্নতিরও প্রশংসা করে এসেছি, সেই কিনা নির্বাচনের সময়ে, এত বড় ষড়যন্ত্র ও মিডিয়া সন্ত্রাস অতিক্রম করে আসা একমাত্র নারী প্রার্থী, কোন টাকা বা পাওয়ার ছাড়াই লড়াই করা একজন মানুষকে ২ টা ভাল কথা না বলে, কিছু ফালতু পোস্ট করে পাবলিকের সামনে ছোট করে। তার উপর, আর এক শিশুর রেপের ঘটনাতে রেপিস্টের সাফাই গায়। এসব দেখে তখনই বুঝি, এর জ্ঞানী জ্ঞানী কথাই, আসলে মাথায় কিছুই নেই, তাই আনফ্রেন্ড করে দেই।
আল্লাহ তার সার্বিক ভাল করুক। কিন্তু উড়ে এসে জুড়ে কেউ তার ষ্টুডিও ভেঙে দিয়ে গিয়েছে, আর সে নাম-চেহারা কিছুই জানে না, তার কাছে চাঁদাও কেউ চায়নি, কিন্তু সে অন্তর্যামী হয়ে জানে এটা বিএনপির কাজ!? এসব আমার কাছে পানির মত পরিষ্কার লাগছে না। সালমন দ্য ব্রাউন ফিশ এমনিতেই ঘোলা জলের মাছ। এর পেছনে কোন হিডেন অ্যাজেন্ডা আছে কিনা খোঁজ নেয়া উচিত।

