আলজাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের জুলাই যোদ্ধা সালমান মোক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর ও হামলাসহ তিনটি ঘটনা উল্লেখ করে সরকারের উদ্দেশ্যে বলেছেন, সব জেনেবুঝেও যদি চোখ বন্ধ রাখেন, তবে সেই নীরবতা হবে সরকারের জন্যই আত্মঘাতি।
তিনি এক পোস্টে বলেন,”শুধু জমি দখলের লালসায় রাতের আঁধারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো সুবিধাবঞ্চিত মা ও শিশুদের শেষ ভরসার স্থল। গতকাল মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর ১ এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে প্রায় ২০০ জনের একটি দল নিরাপত্তাকর্মীদের বেঁধে রেখে নির্বিচারে তাণ্ডব চালায়। এই প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর দরিদ্র মা ও শিশুদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। আর এই বর্বরতার নেপথ্য ইন্ধনদাতা সংরক্ষিত নারী আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির একাধিক প্রভাবশালী নেতা।
ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিকে কার্যত মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। লুট হয়েছে মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম, জেনারেটর, এসি, ফ্রিজ, জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও ভ্যাকসিন। এখানেই শেষ নয়। শিশুদের টিকাদানের রেকর্ড রাখার ট্যাব, রেজিস্টার খাতা, এমনকি পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী পর্যন্ত রেহাই পায়নি দুর্বৃত্তদের হাত থেকে।
এই দখলবাজি কেবল মিরপুরেই সীমাবদ্ধ নয়। পল্লবীসহ ঢাকা উত্তরের আরও একাধিক এলাকায় একই কায়দায় জমি দখল করা হয়েছে। প্রতিটির নেপথ্যে রয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কিছু প্রভাবশালী নেতা। এগুলো কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং ক্ষমতার ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা এক সংগঠিত দখল-সংস্কৃতিরই নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।

