দেশের প্রতিটি মডেল মসজিদকে কেবল নামাজ আদায়ের স্থানে সীমাবদ্ধ না রেখে ধর্মীয় শিক্ষা, জনসচেতনতা ও সামাজিক কল্যাণমূলক কেন্দ্র হিসেবে পরিচালনার লক্ষ্যে ‘মডেল মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৬’ প্রকাশ করা হয়েছে।
২৮ সেপ্টেম্বর (সোমবার) জানা যায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নির্দেশনাসমূহ জারি করা হয়।
প্রকাশিত নীতিমালায় মডেল মসজিদ সমূহের পরিচালনা ব্যবস্থা, নিয়োগ, বেতন-ভাতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বাবলম্বী মসজিদগুলোর জনবলকে নির্ধারিত গ্রেডে (ইমাম ১০ম, মুয়াজ্জিন ১৬তম ও খাদিম ১৮তম গ্রেড) বেতন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, আর অন্যান্যের জন্য নির্ধারিত স্কেলে সম্মানীর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া কর্মরতদের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা এবং আমানতদারিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নীতিমালায় খুতবার আগে মাদক, সন্ত্রাস, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও পরিবেশ সুরক্ষার মতো সামাজিক ইস্যুতে জনসচেতনতামূলক প্রাক-খুতবা প্রদানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র কুরআন শিক্ষা, মক্তব, বয়স্ক শিক্ষা, উৎসব ভাতা প্রদান এবং সরকারি বিশেষ দিবসগুলোতে দোয়া মোনাজাতের বিধানসহ একটি সুনির্দিষ্ট আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনা পর্ষদ গঠনের রূপরেখা এতে যুক্ত করা হয়েছে।

