মস্কোর গ্লোবাল ডিজিটাল ফোরামে বাংলাদেশের ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল, নতুন সহযোগিতার সম্ভাবনা

ডেস্ক রিপোর্ট
spot_img
spot_img

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় গ্লোবাল ডিজিটাল ফোরাম ২০২৬-এ বাংলাদেশের ১৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নিয়েছে। প্রযুক্তি, শিক্ষা, গবেষণা ও ডিজিটাল সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে এ অংশগ্রহণকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ৮ থেকে ১০ অক্টোবর মস্কোর গোর্কি পার্কের ‘মেচতা’ ভেন্যুতে এ ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়। রুশ ফেডারেশন সরকার, ডিজিটাল উন্নয়ন, যোগাযোগ ও গণমাধ্যম মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ‘ন্যাশনাল প্রায়োরিটিজ’ ও ‘সেন্টার ফর গ্লোবাল আইটি কোঅপারেশন’ এ আয়োজন করে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাশিয়ান হাউজ বাংলাদেশ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘Communicate. Connect. Create.’ স্লোগানে আয়োজিত ফোরামে ১১১টি দেশের ৭৩০ বিশেষজ্ঞসহ ১ হাজার ৩০০-এর বেশি অতিথি অংশ নেন। তিন দিনে ৬০টির বেশি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈশ্বিক নীতিমালা, ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব, শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা, এআই নৈতিকতা, স্মার্ট সিটি, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল শিক্ষা ও গণমাধ্যমের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ফোরামের ফাঁকে ১৫০টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় এবং দুই শতাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশি প্রতিনিধিদের মধ্যে আইটি উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষাপেশাজীবীরা ছিলেন। তাদের বিমান টিকিট, আবাসন ও ভিসা ব্যয়ে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হয়।

ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা বক্তা হিসেবেও অংশ নেন। ৮ অক্টোবর ‘দ্য ভ্যালু অব আ নেম: ডোমেইন অ্যাজ আ ডিজিটাল অ্যাসেট’ শীর্ষক আলোচনায় ডায়ানাহোস্টের সিইও খান মোহাম্মদ নাকিব বক্তব্য দেন। একই দিনে ‘হিউম্যানস নিড হিউম্যানস: ট্রাস্ট ইন মিডিয়া ইন দ্য এজ অব এআই’ শীর্ষক প্যানেলে মো. সাদ্দাম হোসেন রনি আলোচক হিসেবে অংশ নেন।

ফোরামে বাংলাদেশের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, মস্কোয় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় রুশ সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তি, শিক্ষা ও গবেষণায় দুই দেশের সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ নিউজ