সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত প্রবাসী শাহেদ আহমেদ আশিকের মরদেহ বগুড়ার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা পূর্বপাড়ায় মরদেহ পৌঁছানোর পর স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
শাহেদের বয়স ছিল ৩২ বছর। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, জীবিকার সন্ধানে দুই বছর আগে সৌদি আরব যান তিনি। ছুটি শেষে আবার কর্মস্থলে ফিরছিলেন।
স্বজনদের ভাষ্য, সৌদিতে পৌঁছে বিমানবন্দর থেকে স্ত্রীকে ফোন করে নিজের পৌঁছানোর খবর দিয়েছিলেন শাহেদ। পরে হামলায় তার মৃত্যুর সংবাদ আসে। সেটিই ছিল স্ত্রীর সঙ্গে তার শেষ কথোপকথন।
শুক্রবার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে কফিন ঘিরে কান্নায় ভেঙে পড়ে তার দুই সন্তান। প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দারা শেষবারের মতো তাকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন।
উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে দুই সন্তান নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে পরিবার। স্বজন ও স্থানীয়রা পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকারের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন।
হামলার নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর তথ্যে অমিল রয়েছে। তবে মরদেহ দেশে আনা এবং শুক্রবার নিজ গ্রামে দাফনের তথ্য পাওয়া গেছে।

