আয় করমুক্ত সীমার নিচে থাকলেই আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই—এ ধারণা সব ক্ষেত্রে সঠিক নয়। ব্যক্তির আয়, পেশাগত অবস্থান এবং নির্দিষ্ট সেবা গ্রহণের শর্ত অনুযায়ী রিটার্ন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি হতে পারে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর ২০২৬) প্রকাশিত ব্যাখ্যামূলক প্রতিবেদনে রিটার্ন জমা এবং কর পরিশোধের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে।
রিটার্নে নির্দিষ্ট আয়বর্ষের আয়, ব্যয়, সম্পদ, দায় ও করসংক্রান্ত তথ্য ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে কর দিতে হবে কি না, তা নির্ভর করে করযোগ্য আয় ও প্রযোজ্য বিধানের ওপর। ফলে রিটার্ন দিলেই সবাইকে কর দিতে হবে, এমন নয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু টিআইএন থাকলেই সব পরিস্থিতিতে একই নিয়ম প্রযোজ্য হয় না। তবে আইননির্ধারিত কিছু সেবার জন্য রিটার্ন জমার প্রমাণ প্রয়োজন হতে পারে।
ব্যাংকঋণ, সম্পত্তি কেনাবেচা এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে আয় ও সম্পদের নথি গুরুত্বপূর্ণ। বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও রিটার্ন না দিলে জরিমানা বা অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকি থাকে।
এনবিআরের ই-রিটার্ন ব্যবস্থায় অনলাইনে রিটার্ন জমার সুযোগ রয়েছে। নিজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শর্ত ও ব্যতিক্রম অনুযায়ী তথ্য প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে।

