আমার এক জীবনের ঋণ শোধ করার দায়িত্ব আপনাদের

মাহফুজা অনন্যা
spot_img
spot_img

মাঝেমাঝে মনে হয় জন্ম না হলেই হয়তো ভালো ছিল। আবার মনে হয়, জন্ম না নিলে এই সুন্দর পৃথিবীর মুখ, আলো-আঁধার এত সব রূপ দেখা হতো না। দেখা হতো না মায়ের মুখ! কতকিছুই পাওয়া হতো না যা অকাট্যভাবে পেয়েছি।

জীবনের জন্য আবার হারাতেও হয়েছে অনেক কিছু!

সৃষ্টির চিরায়ত নিয়মে জন্ম হয়ে অবশ্য একদিক দিয়ে লাভ হয়েছে তা হলো, আমি আপনাদের পেয়েছি, আপনাদের ভালোবাসা পাচ্ছি, আমার এই ছোট্ট জীবনে, ছোট্ট অনন্যার জন্য এ ভালোবাসাই বা কম কীসে?

আপনাদের মতো মহান কবি, লেখক, পাঠক, সহকর্মী, গুণী ব্যক্তিবর্গ, বন্ধু, ছাত্র, আত্মীয়-স্বজনের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা পাচ্ছি। আমার মতো সামান্য একজনকে কত ভালোবাসা নিয়ে স্মরণ করছেন, এ ঋণ কী একজনমে শোধ হয়, বলুন?

আর জনম পাবো না জানি। তাই আমার একজনমের ঋণ মওকুফ করার দায়িত্বও আপনাদের। ঋণী করছেন, মুক্তও করবেন ঋণের দায় থেকে। যদি কখনও কাউকে না বলে হঠাৎ চলে যায় তো সবাই আজ যেভাবে ভালোবাসা দিচ্ছেন সেদিনও সবাই এমন করেই হাসিমুখে ভালোবাসা জানিয়ে বিদায় দিবেন। অন্যায়, ভুল, জেনে বা না জেনে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে মাফ করে দিবেন। কখনও আমার প্রতি রাগ বা অভিমান রাখবেন না অনুরোধ রাখছি।

সময়ের হিসাব থেকে বের হতে পারি না বলে অনেকের সাথেই ব্যক্তিগত আলাপ বা তেমন জানাশোনা হয়নি। তবুও জন্মদিন আসলে কত নতুন মুখ আমাকে শুভেচ্ছা জানায়,, এসব দেখে আমি ভীষণ আপ্লূত হই৷ তখন আফসোস হয়, আহা! একটু যদি আলাপ পরিচয় হতো…., হতেই পারতো আমাদের জানাশোনা! কিন্তু ঐ যে সময়ের তালে দৌড়াতে গিয়ে আর হয়ে ওঠে না। তবুও আশা এই যে, আমার সকল অপারগতাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন সবাই, প্লিজ।

সবাইকে আলাদা আলাদাভাবে রিপ্লাই দিতে পারিনি বলে আবারও ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমায় ক্ষমা করবেন আশা করি। সবাই খুব ভালো থাকুন, সুস্থ ও সুন্দর থাকুন। সবার জন্য আমার হৃদয়জ দোয়া ও ভালোবাসা রইল অনিঃশেষ।

লেখক: কবি

সর্বশেষ নিউজ