পপি গাইড আর আয়মান সাদিক ও মুনজেরিনের লেকচারের মধ্যে তফাৎ নেই

হক ফারুক আহমেদ
spot_img
spot_img

সচেতন নাগরিক হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় কথা বলা উচিত। আয়মান সাদিক ও মুনজেরিন দুইজনের বিষয়েই বলছি। তবে আমার টপিক তাদের বিয়ে নয়। আয়মানের টেন মিনিট স্কুল বর্তমানে দেখতে অনেক শিক্ষার্থীর ভালো করছে মনে হলেও এটি ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ক্ষতির কারণই হবে বলে মনে করি। এখানে যেভাবে যেকোনো বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হয় তা অনেকটা ‘কাটছাঁট’ একটা পদ্ধতি। কোনো একটা বিষয়ে ইন ডেপথ পড়াশোনার বিষয়ে বলা হয় না। এটা অনেকটা আমাদের সময়ের ‘পপি’ গাইডের মতো। পপি গাইডে সবই আছে কিন্তু  কাটছাঁট করা। এমপি থ্রিতে যেরকম গানের লেয়ারের উপর নিচ কেটে এক ধরণের একটা ফরমেট হয় ঠিক সেরকম। পড়ার চাইতে আয়মানের শেখানোতে কাটছাঁট টেকনিক এপ্লাই গুরুত্বপূর্ণ। জানার জন্য বোঝার জন্য তাদের একটি কোর্সের কনটেন্ট দেখে সেটা আরও স্পষ্ট হয়। এটি এক দিক থেকে ভয়ংকর। ইন ডেপথ এবং ডিটেইল পড়াশোনা এখানে উপেক্ষিত।

মুনজেরিনের বই এবং কনটেন্টে আসেন। আজ পর্যন্ত তার একটি কনটেন্টেও আমি বলতে শুনিনি, ইংরেজি জানতে হলে, বুঝতে হলে, বলতে হলে ইংরেজি গ্রামারের ওপর বিশেষভাবে দক্ষ হতে হবে। কথা বলার জন্য অনুশীলনতো পরের বিষয়। আপনার শেকড় যদি ঠিক না থাকে, তাহলে গাছ সঠিকভাবে বাড়বে না। সামান্য ঝড়ে ভেঙে পড়বে। হয়তো অনেকে গ্রামার খুব ভালো না বুঝেই ইংরেজি বলতে শিখে নিচ্ছেন। কিন্তু সেটা কি সঠিক হচ্ছে।

আমি বিশ্বাস থেকে বলতে পারি, আয়মান বা মুনজেরিন নিজেরা এইভাবে কাটছাঁট পদ্ধতিতে পড়াশোনা করেননি। তাহলে এদেশের ছেলে মেয়েদের কেন এভাবে শর্টকার্ট পদ্ধতিতে তারা সব কিছু শেখাতে চাইছেন! আহা বাণিজ্য!

লেখক: সাংবাদিক, কবি

সর্বশেষ নিউজ