দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগের দোসরদের তত্ত্বাবধানে লুটপাটের মহোৎসবের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়া রামগতি আহমদিয়া কলেজের নতুন ম্যানেজিং কমিটি
গঠন নিয়ে কী হচ্ছে! সূত্র জানায়, কমিটি গঠনের লক্ষ্যে রাতের আঁধারে ঢাকায় বসে একটা কমিটি গঠনের তোড়জোড় শুরু হয়।
আওয়ামী লীগের রামগতি উপজেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহেদের নেতৃত্বে বিভিন্ন পর্যায়ের রামগতির আওয়ামী লীগের নেতারা এবং বর্তমান প্রিন্সিপালসহ আওয়ামী দোসরদের নিয়ে গোপন মিটিং হয়েছে।
ওই মিটংয়ে আব্দুল ওয়াহেদের পরিবারের লোকজন দিয়ে নতুন কমিটি করার সিদ্ধান্তের একটি খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তোলপাড়। এই খবরে রামগতির ছাত্র-জনতা, বিএনপি ও জামায়াত এক হয়ে প্রিন্সিপালকে অবরুদ্ধ করে কমিটি গঠনের বিষয়ে জানতে চায়। তারা জানতে চায় দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের সাথে গোপন মিটিং করা হলো কেন ?
জানা যায়, পরে রামগতির মুরব্বী শ্রেণীর লোকজন গিয়ে প্রিন্সিপালকে উদ্ধার করেন। এ অবস্থায় প্রিন্সিপাল তার ভুল স্বীকার সাপেক্ষে অঙ্গীকার করেন যে,বর্তমান কমিটিতে কোনো আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বা তাদের কোনো আত্মীয় স্বজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক বলেছেন, এই কলেজের অনিয়ম সীমাহীন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তারা কলেজকে তাদের পারিবারিক সম্পত্তি হিসাবে ব্যবহার করছে।
মহসিন নামে একজন অভিভাবক বলেন, কলেজে কোনো শিক্ষা কার্যক্রম ঠিকমতো পরিচালিত হয় না। ওনারা শুধু লুটপাট নিয়েই ব্যস্ত থাকেন।
মনিরুল হক নাম আরেকজন অভিভাবক বলেন, ওনাদের কথাই এইখানে আইন। আমরা অভিভাবকরা কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারি না। তাদের ভয়ে এরকম আরো অনেক অভিযোগ আছে। এডহক কমিটির বিরুদ্ধে তাই পুরা রামগতির মানুষ এক হয়ে এদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

