বড় প্রত্যাশার পর আকস্মিক বিদায়

ডেস্ক রিপোর্ট
spot_img
spot_img

সরকারিভাবে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখানো হলেও তার এই আকস্মিক সরে দাঁড়ানোর পেছনে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক নানা বাস্তবতা কাজ করেছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

সোমবার (১ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে সর্বমিত্র চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।

ডাকসুর এ সদস্য আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীকে আমি যতদূর চিনেছি-জেনেছি, তিনি অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত এবং স্বল্পভাষী। রাজনীতিতে যেখানে কাদা ছোড়াছুড়ি নিত্যদিনের ঘটনা, তিনি বিরোধী পক্ষকে কখনো কথার মাধ্যমে আক্রমণ করেননি। এমন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আমাদের দরকার। শারীরিক অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ সক্রিয় দেখেছি তাকে।

অন্যদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, স্যার শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন। এর বাইরে আর কিছু নেই।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন তিনি।

দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের কারণ নিয়ে নানা ব্যাখ্যা থাকলেও এটুকু স্পষ্ট যে, পার্বত্য রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ এক পর্যায়ে তার এই সরে দাঁড়ানো নতুন করে আলোচনা ও বিশ্লেষণের জন্ম দিয়েছে। এটি শুধু একজন মন্ত্রীর পদত্যাগ নয়, বরং পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক বাস্তবতা, প্রত্যাশা ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে চলমান বিতর্ককেও সামনে নিয়ে এসেছে।

সর্বশেষ নিউজ