ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনায় এখন ফুটছে পুরো বিশ্ব। তবে সময়সূচীর কারণে ম্যাচগুলো দেখতে গিয়ে অনেকেরই ঘুমের রুটিন ও দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। খেলা দেখার উত্তেজনা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু কৌশল ও প্রস্তুতি নিচে তুলে ধরা হলো।
ঘুমের ৩ কার্যকরী কৌশল
বিশেষজ্ঞরা ম্যাচ দেখার জন্য তিনটি ভিন্ন কৌশল বাতলে দিয়েছেন:
-
দ্য ফুল আমেরিকান: এটি তাদের জন্য যারা রুটিন পরিবর্তনের সুযোগ পান। এতে রাত জেগে খেলা দেখে দিনের বেলা ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তোলা হয়।
-
দ্য স্যান্ডউইচ: ম্যাচ শুরুর আগে নির্দিষ্ট সময় ঘুমিয়ে নেওয়া, খেলা দেখা শেষ করে আবার কয়েক ঘণ্টার জন্য ঘুমানোর পদ্ধতি। এতে ঘুমের বিরতি থাকলেও ক্লান্তি কিছুটা কম অনুভূত হয়।
-
দ্য স্কুইজ: এটি সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি। খেলা দেখে বাকি সময়টুকুতে কাজের আগে ছোট বিরতিতে ঘুমিয়ে নেওয়া।
ক্লান্তি দূর করার স্মার্ট টিপস
রাত জাগার কারণে শরীর ও মনে বিরূপ প্রভাব এড়াতে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি:
-
ক্যাফেইন গ্রহণে সতর্কতা: কফি বা এনার্জি ড্রিংক রাত জাগতে সাহায্য করলেও অতিরিক্ত গ্রহণে ঘুমের মান নষ্ট হয়। তাই নির্দিষ্ট সময়ের পর এগুলো এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
-
শর্ট ন্যাপ: ঘুমের ঘাটতি পূরণে দুপুরের খাবারের পর ২০-৩০ মিনিটের একটি ‘শর্ট ন্যাপ’ নিন। ৩০ মিনিটের বেশি ঘুমালে তা ক্লান্তি উল্টো বাড়িয়ে দিতে পারে।
-
সকাল ও সূর্যের আলো: রাত জাগলেও স্বাভাবিক সময়ে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। সকালের সূর্যের আলো ব্রেনকে সজাগ করতে সাহায্য করবে।
-
অ্যালকোহল বর্জন: ক্লান্তিবোধ করলেও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন, এটি ঘুমের মান কমিয়ে অস্থিরতা বাড়িয়ে দেয়।
শিশুদের জন্য করণীয়
শিশুদের ক্ষেত্রে খেলা দেখার চেয়ে তাদের শারীরিক সুস্থতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। ছোট শিশুদের খেলার জন্য না জাগানোই শ্রেয়। কিশোর-কিশোরীরা চাইলে দিনের বেলা হাইলাইটস বা ম্যাচের রিপ্লে দেখে নিতে পারে, যা তাদের স্কুলের পড়াশোনা ও শারীরিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করবে না।

