জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পাস হয়েছে। ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে এই বাজেটকে ‘বিনিয়োগ-বান্ধব’ হিসেবে অভিহিত করেছে সরকার। নির্বাচনের পর বিএনপি সরকারের এটিই প্রথম বাজেট।
মূল লক্ষ্য: ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি
বাজেটে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা এবং মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার বাজেটে মানবিক অর্থনীতি গড়ে তোলার একটি সমন্বিত রূপরেখা তুলে ধরেছেন, যেখানে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বাজেটের মোট আকার জিডিপির ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ।
‘৩আর (৩জ) কৌশল’-এর বিস্তারিত
অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রী ‘৩আর (৩জ) কৌশল’ ঘোষণা করেছেন। এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে এই কৌশল ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে:
-
রিকভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন: অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা।
-
রিস্টোরেশন: অর্থনৈতিক কাঠামোর পুনরুদ্ধার।
-
রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসেলারেশন: দ্রুত উন্নয়নের জন্য নতুন করে গঠন।
বাজেট ও সংসদীয় প্রক্রিয়া
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যসহ মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। সংসদ অধিবেশনে নির্দিষ্টকরণ বিল পাস হওয়ার আগে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের ১ হাজার ৩৪৩টি ছাঁটাই প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের অনুরোধে গিলোটিন পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে বাকি মঞ্জুরি দাবিগুলো অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

