প্রতিবেশীদের নাক গলানো বরদাশত নয়’: ভারতে মসজিদ ও বাংলাদেশে মন্দির ভাঙার হার নিয়ে চিফ হুইপের তোপ

টেবিল প্রতিবেদন
spot_img
spot_img

ভারতে যে হারে মসজিদ ভাঙা হয়, বাংলাদেশে কি সে হারে মন্দির ভাঙা হয়—এই আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক তুলনামূলক প্রশ্নের উত্তরও সবাইকে বিবেচনায় নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। একই সাথে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিবেশী কোনো দেশের নাক গলানো বা হস্তক্ষেপ সরকার মেনে নেবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জাতীয় সংসদের এলডি হলে অনুষ্ঠিত বাজেট-পরবর্তী সংসদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

চিফ হুইপ বলেন, “বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর কোনো ধরণের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ভূখণ্ড বা মাটিকে কোনো প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেওয়া হোক, সেটিও বর্তমান সরকার চায় না।” ভারতের সাথে কূটনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক সম্পর্কের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “ভারতে যে হারে মসজিদ ভাঙা হয়, বাংলাদেশে কি সে হারে মন্দির ভাঙা হয়? এ বিষয়টিও সবার আলোচনায় বিবেচনা করা প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে ভারত কীভাবে নিয়েছে, তা দেশটির বর্তমান কর্মকাণ্ড ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করলেই খুব সহজে বোঝা যাবে।

বাজেট প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রণীত প্রথম বাজেট। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো বাজেটে বিরোধী দল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী বিরোধী দলের জন্য ২৬ শতাংশ সময় বরাদ্দ থাকলেও তাদের অতিরিক্ত সময় দিয়ে প্রায় ৩১ শতাংশ সময় বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সংসদীয় ইতিহাসে এই প্রথম বিরোধী দলের নেতাই স্পিকারের কাছে গিলোটিন প্রস্তাব আনার অনুরোধ করেন এবং পরে বিরোধী দল তাদের ছাঁটাই প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেয়। এতেই বোঝা যায়, বাজেট নিয়ে একটি ফলপ্রসূ ও প্রয়োজনীয় আলোচনা সংসদে সম্পন্ন হয়েছে।

সর্বশেষ নিউজ