জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা সারজিস আলমের বহিষ্কার এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে কারণ দর্শানোর পুরোনো প্রসঙ্গ সামনে এনে বক্তব্য দিয়েছেন রাজনৈতিক নেতা রাশেদ খান। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দেওয়া তার বক্তব্য বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রকাশিত হয়।
রাশেদ খান বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক আলোচনায় অনেকেই অতীতের ঘটনা ভুলে যাচ্ছেন। ছাত্র ও নাগরিক আন্দোলনের সময় বিভিন্ন নেতার বিরুদ্ধে নেওয়া সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তার বক্তব্যে সারজিস আলমের বিরুদ্ধে অতীতে নেওয়া বহিষ্কারমূলক সিদ্ধান্ত এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে কারণ দর্শানোর প্রসঙ্গ উঠে আসে।
তবে ওই সাংগঠনিক সিদ্ধান্তগুলো কোন সংগঠনের, কী সময়ের এবং কোন নির্দিষ্ট ঘটনার প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছিল—প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত তথ্যে তার পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
রাশেদ খান মূলত বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান ও অতীতের সাংগঠনিক ভূমিকার তুলনা টেনে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেন, রাজনীতিতে ব্যক্তি ও দলের অবস্থান মূল্যায়নের সময় অতীতের কর্মকাণ্ডও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। শুধু বর্তমান বক্তব্যের ভিত্তিতে কাউকে বিচার করলে রাজনৈতিক বাস্তবতার একটি অংশ আড়ালে থেকে যায়।
এ বক্তব্যের বিষয়ে সারজিস আলম বা হাসনাত আব্দুল্লাহর কোনো নতুন প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে কি না, তা প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
রাজনৈতিক বিতর্কে অতীতের ঘটনাকে বর্তমান প্রেক্ষাপটে টেনে আনার বিষয়টি নতুন নয়। তবে এ ধরনের দাবির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সময়ের তথ্য ও সাংগঠনিক নথি যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা।

