ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে ভারতে পালানোর সহযোগিতার দায় স্বীকার করেছেন দুই সহযোগী সঞ্জয় চিসিম ও মো. ফয়সাল। তারা বৃহস্পতিবার ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম জামসেদ আলমের আদালতে জবানবন্দি দেন।
তাদের আদালতে হাজির করার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। পরে জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদীর সদর থানার তরুয়া এলাকার মোল্লাবাড়ির সামনে তরুয়ার বিলের পানি থেকে উদ্ধার করে র্যাব। এ সময় ফয়সালকে আটক করা হয়। তিনি প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের শ্যালকের বন্ধু।
গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের মামলা করেন। পরে হত্যা মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আসামিরা হলেন– ফয়সাল করিম মাসুদ, তার বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, তার বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা ও তার শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্ট-এ কার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহযোগিতাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম এবং আত্মগোপনে সহায়তাকারী আমিনুল ইসলাম রাজু।
তাদের মধ্যে হুমায়ুন, হাসি, সামিয়া, লিমা, সিপু ও রাজু দায় স্বীকার করে আগেই জবানবন্দি দিয়েছেন। রিমান্ড শেষে নুরুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রধান আসামি মাসুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

