হাইতির বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে ব্রাজিলের দুর্দান্ত জয়ে আলো ছড়িয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচের স্কোরলাইন যেমন সেলেসাওদের আধিপত্যের প্রমাণ দিচ্ছে, তেমনি ভিনিসিয়ুসের ব্যক্তিগত অর্জনও ফুটবল বিশ্বে তৈরি করেছে নতুন আলোচনা।
এই ম্যাচে জালের দেখা পেয়ে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা তিনে নিয়ে গেছেন সাত নম্বর জার্সিধারী এই তারকা ফরোয়ার্ড। এর আগে চলতি বিশ্বকাপে মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে এবং ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষেও গোল পেয়েছিলেন তিনি। এই গোলের মধ্য দিয়েই বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদিনিয়োকে পেছনে ফেলেছেন ভিনিসিয়ুস। ২০০২ বিশ্বকাপে রোনালদিনিয়ো করেছিলেন দুটি গোল, আর ভিনিসিয়ুস এখন তিন গোলের মাইলফলকে।
শুধু নিজে গোল করেই ক্ষান্ত হননি রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। হাইতির বিপক্ষে মাতিয়াস কুনিয়ার গোলেও দুর্দান্ত অবদান ছিল তার। ফলে বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ছয়টি গোলে সরাসরি সম্পৃক্ততা রইল তার। ছয় ম্যাচে তিন গোলের পাশাপাশি তিনটি অ্যাসিস্ট করেছেন এই ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন।
এই পরিসংখ্যান তাকে আরেকটি বিশেষ জায়গায় নিয়ে গেছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে গোলে সম্পৃক্ততার সংখ্যায় তিনি ছুঁয়ে ফেলেছেন আইডল রোনালদিনিয়োকে। ২০০২ বিশ্বকাপে দুটি গোলের সঙ্গে তিনটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন রোনালদিনিয়ো। পরে ২০০৬ বিশ্বকাপে যোগ করেন আরও একটি। সবমিলিয়ে ১০ ম্যাচে ছয়টি গোলে অবদান ছিল তার।
অন্যদিকে, মাত্র ছয় ম্যাচেই একই সংখ্যক গোলে অবদান রেখে ফেলেছেন ভিনিসিয়ুস। সামনে আরও ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকায় এই তালিকাতেও পূর্বসূরিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তার সামনে।
#এম_আর

