রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের ১৩টি গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। পানি বাড়ছে না, তবে কমছেও না। নৌকা ছাড়া এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
বন্যার পানির সঙ্গে বেড়েছে সাপ ও পোকামাকড়ের উপদ্রব। ঘরের ভেতর মাচা বানিয়ে কোনোভাবে দিন কাটাচ্ছেন অনেকে। এরই মধ্যে সাপের কামড়ে বীথি নামে ২৫ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বন্যায় বন্ধ হয়ে গেছে ইউনিয়নের সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান। এর মধ্যে ছয়টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। কয়েকটি বিদ্যালয়ে পানি ঢুকেছে, দুটি বিদ্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। নদীভাঙনের কারণে একটি বিদ্যালয়ও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে ইউনিয়নের মাত্র তিনটি বিদ্যালয়ে কোনোভাবে পাঠদান চলছে।
বন্যায় তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ ও কর্মসংস্থানের প্রধান জায়গাগুলো। কৃষিকাজ বন্ধ থাকায় দিনমজুরদের আয়ও বন্ধ। একই সঙ্গে গবাদিপশুর খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তকী ফয়সাল তালুকদার জানান, পানিবন্দি শতাধিক পরিবারের মধ্যে চাল বিতরণ করা হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে কর্মহীন মানুষের মাঝেও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হবে।
