গোপনে বিয়ে এবং পরে তালাক হয়ে গেলে বিষয়টি প্রকাশ করা প্রয়োজন কি না—এ নিয়ে ইসলামী শরিয়তের আলোকে ব্যাখ্যা দিয়েছেন আলেমরা।
প্রকাশিত ধর্মীয় ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বিয়ের বৈধতার ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি ও সাক্ষীর উপস্থিতির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত অভিভাবকের ভূমিকাকে হাদিসে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিয়ে বৈধভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর দাম্পত্য সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হলে তালাকের বিধান কার্যকর হয়। তবে বিয়ে ও তালাক গোপন রাখার কারণে ভবিষ্যতে উত্তরাধিকার, পুনর্বিবাহ, সামাজিক পরিচয় বা আইনি বিরোধ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে স্পষ্ট রাখা জরুরি হতে পারে।
বাংলাদেশের আইন অনুসারেও বিয়ে ও তালাকের নিবন্ধন গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মীয় বিধানের পাশাপাশি দেশের প্রচলিত পারিবারিক আইন অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

