ডিম ও ব্রয়লার মুরগির খামার পর্যায়ের বিক্রিমূল্য এবং ঢাকার খুচরা বাজারদামের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান পাওয়া গেছে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় লোকসানের কথা বলছেন খামারিরা, অন্যদিকে বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকায় বিক্রি হলেও একজন প্রান্তিক খামারি বিক্রি করেছেন ১৩৪ টাকায়। দুই পর্যায়ের দামে ব্যবধান ৫৬ টাকা।
খামারি শাফিউর রহমান জানিয়েছেন, মুরগির খাদ্য ও ওষুধের দাম বেড়েছে। তার দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, একটি চালানে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে।
ডিমের ক্ষেত্রেও অনুরূপ ব্যবধান দেখা গেছে। খামারি আরিফুল ইসলাম প্রতি ডিম আট টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রির কথা জানিয়েছেন। সে হিসাবে ডজনের দাম ১০২ টাকা। অন্যদিকে বুধবার (২১ অক্টোবর) ঢাকার বাজারে লাল ডিমের ডজন বিক্রি হয়েছে ১৫৫ টাকায়।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে সরবরাহের ওঠানামার সঙ্গে দাম বদলায়। খামারিরা বলছেন, উৎপাদন উপকরণের ব্যয় বাড়লেও সেই অনুপাতে বিক্রিমূল্য পাচ্ছেন না।
তবে খামার ও খুচরা দামের পুরো ব্যবধানকে ব্যবসায়ীর নিট মুনাফা বলা যায় না; প্রতিবেদনে পরিবহণসহ প্রতিটি ধাপের পূর্ণ ব্যয়হিসাব দেওয়া হয়নি।

