সোমবার (২ নভেম্বর) নিউ ইংল্যান্ডের মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরুতে পিছিয়ে পড়ে ইন্টার মায়ামি। ৫৩ মিনিটে ড্যানিয়েল গাজদাগের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি মায়ামি। ম্যাচে ফিরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মেসি।
প্রথমার্ধে গোলের দেখা না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়ায় মায়ামি। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে সমতায় ফেরে দলটি। সতীর্থকে পাস দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন মেসি। এরপর সতীর্থের বাতাসে ভাসানো মাপা ক্রসে হেড করে ডান দিকে বল বাড়িয়ে দেন তিনি। মেসির সেই নিখুঁত হেড থেকে গোল করতে কোনো ভুল করেননি জার্মান বারতারাম। ফলে ১-১ সমতায় ফেরে ইন্টার মায়ামি।
সমতা ফেরানোর পর জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে মায়ামি। শেষ পর্যন্ত ৮৩ মিনিটে সেই গোলটিও এনে দেন মেসি। বক্সের বাইরে দুই ডিফেন্ডারের বাধা সামলে বল নিয়ে এগিয়ে যান তিনি। প্রতিপক্ষের তিন ডিফেন্ডারের চ্যালেঞ্জের মুখেও বলের নিয়ন্ত্রণ হারাননি আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।
ড্রিবল করে বক্সের সামনে সতীর্থকে পাস দেন মেসি। সতীর্থ বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ছোট পাসে আবারও তাঁর কাছে ফিরিয়ে দেন। এরপর বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের নিচু শটে গোলরক্ষক টার্নারকে পরাস্ত করেন মেসি। তাঁর এই গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় ইন্টার মায়ামির।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে দুই ম্যাচের জয়খরা কাটাল ফ্লোরিডার ক্লাবটি। একই সঙ্গে নিজের গোলসংখ্যার রেকর্ডেও নতুন মাইলফলক যোগ করেছেন মেসি। নিউ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করা গোলটি ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের ৯৩৭তম গোল। আর ওপেন প্লে থেকে করা গোলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২২-এ।

