শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর একজন রাজনৈতিক সহকারী লাইভ অনুষ্ঠানে এসে বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক ‘আমার দেশ’ ছিঁড়ে ফেলেছেন। একটি জাতীয় দৈনিক ছিঁড়ে ফেলা শুধু পত্রিকাটির প্রতি অবমাননা নয়, বরং বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য উদ্বেগজনক বার্তা বহন করে।
এতে আরও বলা হয়, একটি বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপের পাশাপাশি গণমাধ্যম বন্ধ বা তালাবদ্ধ করে দেওয়ার পূর্ব আলামত বলে তারা মনে করেন। এ ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ সংবাদপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মী ও কলাকুশলীদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি করবে যে, বাংলাদেশে আবারও সরকারের হস্তক্ষেপে সংবাদপত্র বন্ধের সংস্কৃতি চালু হবে কি না।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে রাশেদ খাঁনের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য এবং সংবাদপত্রের প্রতি তাঁর অগণতান্ত্রিক, স্বৈরতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জামায়াত।
তিনি আরও বলেন, রাশেদ খাঁন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োজিত। এ কারণে তাঁর এ কাজের পেছনে প্রধানমন্ত্রীর কোনো ইঙ্গিত রয়েছে কি না, তা জনগণ জানতে চায়।

