মেলান্দহে খাদ্য বান্ধবের চাউল জব্দ করলো স্থানীয়রা, ছেড়ে দিলেন কে?

জামালপুর প্রতিনিধি
spot_img
spot_img

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ফুলকোঁচা ইউনিয়নে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ৮বস্তা চাউল জব্দ করে স্থানীয়রা। খাদ্য নিয়ন্ত্রকের যোগসাজশে পাইকারের কাছে তুলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

তবে ডিলারের গোদাম থেকে চাউল পাওয়া গেলেও এ চাউল তাদের নয় বলে দাবি করেছেন কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) উপজেলার ফুলকোঁচা ইউনিয়নের ফুলকোঁচা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, বুধবার রাতে চাউল গোদাম থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলো ডিলার। স্থানীয়রা সে সময় দেখতে পেয়ে জব্দ করে রাখে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে ফোন দিলে তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্যের জিম্মায় রাখে গোদামেই। তবে উপজেলা থেকে কোন প্রতিনিধি আসেননি।
বৃহস্পতিবার সকালে সেই চাউল খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সাথে কয়েকজন কথা বলে স্থানীয় এক পাইকারের নিকট হস্তান্তর করেছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, খাদ্য নিয়ন্ত্রক মেম্বারের সাথে কথা বলে সারা রাত চাউল গুলো গ্রাম পুলিশ দ্বারা পাহারা দেওয়া হয়েছে। সেই চাউল কিভাবে পাইকারের কাছে তুলে দেওয়া হলো।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মোঃ শহিদুল্লা বলেন, রাত দশটার দিকে আমাকে ফুট অফিস থেকে কল দিয়ে বলে ইউএনও স্যারের নির্দেশা আছে আপনি চাউল গুলো গিয়ে দেখেন। পরে আমি চৌকিদার নিয়ে সারারাত পাহারা দিয়ে রাখা হয়। পরদিন সকালে একজন সাংবাদিক আসেন। পরে ফুট অফিসে কথা বললে আমাকে জানানো হয় সেই সাংবাদিককে প্রতিনিধি বানিয়ে পাঠানো হয়েছে। তারা সেই চাউল নাকি পাইকারের কাছে দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে শুনেছি। তারপর আমি আর কিছু জানি না।

এ বিষয়ে ডিলার মোখলেছুর রহমান মোখলেছকে একাধিক বার কল দিলেও ফোন রিসিভ করেননি।

অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সোহানা বিলকিস বলেন, চাউল পাওয়া গেছে, এখন এটাত আমাদের মাল না। আমার কাছে বলেছিলো মাল কার জানা যাচ্ছে না। পরে সেই লোককে খোঁজে পাওয়া গেছে দিয়ে দিছে। তাকে একটা শোকজ করা হচ্ছে। কের তার ঘরে এটা পাওয়া গেলো। আমার ভোক্তা যদি ঠিকঠাক মত চাল পায়। এই ব্যাপারে আমার কোন কমপ্লেন নাই। এটা আমার চাউল না। আমার চাউল বিতরণ হয়ে গেছে।

মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস.এম আলমগীর বলেন, ডিলার পয়েন্ট থেকে যে বিতরণ করছে মাস্টারোল আছে সকলেই পেয়েছে। আমাদের কাছে কেও কমপ্লেইন করেনি।
খাদ্য অফিস থেকে লোক গিয়েছিলো বললো যে কিছু মালামাল কে না কে সেখানে রাখছে। শতভাগ বিতরণ করা হয়েছে এ রিপোর্ট আছে। আমরাতো কোন ব্যবস্থা নিতে পারি না। স্থানীয় ভাবে যদি কেও অভিযোগ করে তাহলে ব্যবস্থা নিবো।

সর্বশেষ নিউজ