ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে জুলাই আন্দোলনের সময় হওয়া একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম মেহেরা মাহবুব তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
১০ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই নাজমুল হাসান গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এদিন সকালে আমুকে সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। বয়সজনিত দুর্বলতা ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে চলাফেরায় অক্ষম আমুকে কয়েকজন পুলিশ সদস্য সহায়তায় আদালতের দ্বিতীয় তলায় ওঠানো হয়।
তাকে তখন হ্যান্ডকাফ, হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ ভেস্ট পরানো ছিল। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকাকালীন আমু বসার জন্য একটি টুল চান, কিন্তু আদালতের কর্মচারীরা তাতে সাড়া দেননি। কিছু সময় পর আবারও তিনি টুল চাইলেও পুলিশ সদস্যরা বলেন, আদালতের অনুমতি ছাড়া বসার উপকরণ দেওয়া যাবে না।
পরে তার আইনজীবী মহসিন রেজা বিচারকের কাছে আবেদন করলে আদালত টুল ব্যবহারের অনুমতি দেন। বিচারকাজ শুরুর কিছুক্ষণ আগে সাবেক এই মন্ত্রী আদালতের কাঠগড়ায় বসার সুযোগ পান।
শুনানির একপর্যায়ে তার আইনজীবী জানান, হাজতখানা থেকে আদালতে আনার সময় হ্যান্ডকাফের ধারালো অংশে আঘাত পেয়ে আমুর একটি নখ কেটে যায় ও রক্তপাত হয়। পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে তার হাতে ব্যান্ডেজ দেওয়া হয়।
এদিন আদালত আমুকে মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দেন, যা নতুন রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

