তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত সময়কালে ইসরায়েল পেয়েছে ৯৪০টি জাহাজ ও বিমান বোঝাই করে মার্কিন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের চালান। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানানো হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে দেশটিতে পৌঁছেছে ৯০,০০০ টনের বেশি সামরিক মালামাল।
এই অস্ত্রচালানের মধ্যে রয়েছে: গোলাবারুদ। সাঁজোয়া যান। ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম। চিকিৎসা সরঞ্জামাদি।
মাত্র কয়েকদিন আগেই, ৮০০তম অস্ত্রবাহী বিমানটি ইসরায়েলের মাটিতে অবতরণ করে।
এই অস্ত্র সরবরাহ শুরু হয় গাজায় হামলার সূচনার পর থেকেই। যদিও মার্কিন রাজনীতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তবে অস্ত্র সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৫৪,০০০—এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া:
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ওঈঈ) নেতানিয়াহু ও ইসরায়েলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্যালান্টের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।
আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ওঈঔ) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যার অভিযোগে মামলা পরিচালনা করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই ধারাবাহিক অস্ত্র সহায়তা ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সমালোচকরা বলছেন, এই সহযোগিতা সংঘাতকে থামানোর বদলে আরও দীর্ঘায়িত করছে এবং মানবিক বিপর্যয় বাড়িয়ে তুলছে।

