জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আতিক মোর্শেদের বিরুদ্ধে উঠেছে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান নগদ থেকে ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ।
অভিযোগকারী কে?
এই অভিযোগ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন, যিনি আজ শুক্রবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে বিস্তারিতভাবে বিষয়টি তুলে ধরেন।
রাশেদের অভিযোগের মূল পয়েন্টগুলো:
আতিক মোর্শেদ নগদের ডেপুটি সিইও মুয়ীজ নাসনিম ত্বকির সঙ্গে মিলে ১৫০ কোটি টাকা বেহাত করেছেন।
আতিক কোনো সরকারি বা বেসরকারি পদে না থেকেও নগদের ৬ তলার একটি অফিস রুম থেকে নিয়মিত অফিস করছেন। তার স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা জুঁইকে তিনি ক্ষমতা ব্যবহার করে নগদে ম্যানেজার (কমপ্লায়েন্স) পদে বসিয়েছেন।নিকট আত্মীয়দেরও চাকরি দিয়েছেন এই প্রতিষ্ঠানে।
রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তুলেছেন, আতিক মোর্শেদের এই কর্মকাণ্ডে নাহিদ ইসলামের পরোক্ষ সহায়তা ছিল কি না। কারণ, আতিকের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও নাহিদ ইসলাম দায়িত্বে থাকাকালে কোনো তদন্ত হয়নি, ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তিনি আরও লেখেন, নাহিদ ভাই বলতেন, আমাদের ডোনেট করে ধনীরা। এখন প্রশ্ন—এই ধনীরা কারা?
ডিবির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন
রাশেদের পোস্টে আরও দাবি করা হয়, ১৮ মে রাতে ডিবি পুলিশ নগদের ডেপুটি সিইও মুয়ীজ নাসনিম ত্বকিকে আটক করলেও, পরদিন কোনো মামলা ছাড়াই ডিবি অফিস থেকেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে আতিক মোর্শেদের প্রভাব থাকার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন রাশেদ।
রাশেদ খাঁন মনে করেন, এই পুরো ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহার আছে। এবং এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
তিনি প্রশ্ন রাখেন—”নাহিদ ইসলাম কি আতিক মোর্শেদের দায় এড়াতে পারেন?”

