ফেনীতে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও ভারতীয় চোরাচালান পণ্যসহ দুই যুবদল নেতাকে আটক করেছে র্যাব-৭। সোমবার (৪ মে) ভোররাতে শহরের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। র্যাবের তথ্যমতে, জব্দকৃত মাদক ও চোরাচালান পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা।
যাদের আটক করা হয়েছে:
-
শাহ আলম (৪০): সদর উপজেলা যুবদল নেতা এবং জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল হোসেনের ভাই।
-
কামরুল ইসলাম (৩২): ছাগলনাইয়া উপজেলা যুবদল নেতা (শাহ আলমের সহযোগী)।
অভিযানের বিস্তারিত: গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার ভোররাতে ফেনী শহরের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন এলাকায় একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তল্লাশি চালায় র্যাব। এ সময় বিপুল পরিমাণ মাদক, শুল্কবিহীন ভারতীয় ওষুধ উদ্ধার এবং চোরাচালানে ব্যবহৃত অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়।
এছাড়াও, একই দিন সকালে মহিপাল স্টার লাইন পরিবহনের কাউন্টার থেকে আরও ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে র্যাব।
ফেনী র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ.আর.এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটককৃতরা ছাগলনাইয়া সীমান্ত থেকে অবৈধ মাদক ও নিষিদ্ধ পণ্য কিনে জেলার বিভিন্ন স্থানে ডিলারদের কাছে সরবরাহ করতেন। উদ্ধারকৃত মালামাল ও আসামিদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফেনী সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ফেনী মডেল থানার ওসি গাজী ফৌজুল আজিম জানান, আটককৃত শাহ আলম একজন চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা ও চোরাকারবারি। তার বিরুদ্ধে থানায় এ সংক্রান্ত আরও একাধিক মামলা রয়েছে।

