১২ মে ২০২৬, মঙ্গলবার

মায়ের মৃত্যুর আগে যেন আমার মৃত্যু হয়: ফারিণ

অনলাইন ডেস্ক
spot_img
spot_img

আলো ঝলমলে পর্দায় আজ যিনি পরিচিত মুখ, সেই ‘তাসনিয়া ফারিণ’ হয়ে ওঠার গল্পটা কেবল তার একার নয়। পেছনে জড়িয়ে আছে তার মায়ের নীরব ত্যাগ, দীর্ঘ সংগ্রাম আর অদম্য লড়াইয়ের গল্প। মা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জীবনের সেই অজানা গল্পগুলো তুলে ধরতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী।

অনুষ্ঠানে ফারিণ জানান, তার আজকের এই অবস্থানের পেছনে বাবার চেয়ে মায়ের অবদানই মূখ্য। তিনি বলেন, ‘আমার মা আমার বাবার সাথে যুদ্ধ করে আমাকে নাচের স্কুলে ভর্তি করেছেন। মানুষ ইমোশনটাকে দুর্বলতা মনে করে।’

‘আমি সাধারণত অনেক ইমোশনাল, কিন্তু ইমোশন দেখাতে চাই না। তবে আজ এখানে সবার মাঝে হয়তো আমি সবচেয়ে ছোট। এই বয়সে আমার এত অর্জন আমি কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি। কিন্তু আমার মা ভেবেছিলেন।’

ফারিণ আরও বলেন, ‘আমার অভিনয় জীবনের যাত্রা বা গান শেখা সবকিছুর পেছনেই আমার মায়ের অবদান। এটা আমার বাবা না, সম্পূর্ণ আমার মায়ের অবদান। পরীক্ষার মাঝখানে কোনো কাজ আসলে মা বাবার সাথে ফাইট করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, তোমার মেয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি অন্য সব বিষয়েও ভালো করবে।’

তার কথায়, ‘মা আমার স্কুল ছুটির পর বসে থাকতেন, আমাকে নিয়ে নজরুল একাডেমিতে গানের ক্লাসে যেতেন। রিহার্সাল চললে রাত ১০টা পর্যন্ত আমি স্কুল ড্রেস পরে বসে থাকতাম, মা বাসা থেকে খাবার নিয়ে আসতেন।’

ক্যারিয়ারের শুরুতে মায়ের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রথম যখন কাজের অফার আসে, মা-ই আমাকে জোর করেছিলেন। তিনিই প্রথম আমার ভেতরের সৃজনশীলতাকে চিনতে পেরেছিলেন।’

ফারিণ বলেন, ‘তিনি সবসময় আমার পাশে বটগাছের মতো ছিলেন, এখনো আছেন। আমি চাই আমার মায়ের মৃত্যুর আগে যেন আমার মৃত্যু হয়। কারণ, এটা আসলে আমি সইতে পারব না, দেখতে চাই না।’

সর্বশেষ নিউজ