ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বড় হামলার শঙ্কা, আনা হয়েছে বিপুল সেনা ও সরঞ্জাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
spot_img
spot_img
সাময়িক যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানে ফের বড় ধরনের যৌথ হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এমনকি তারা ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কিছু দ্বীপ দখল করারও পরিকল্পনা করছে বলে সতর্ক করেছেন ইরানি আইনপ্রণেতা কামরান ঘাজানফারি। এই লক্ষ্যে এরই মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে বিপুল সংখ্যক সেনা ও অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কামরান ঘাজানফারি বলেন, “বিভিন্ন প্রমাণ ও ইঙ্গিত স্পষ্টতই দেখাচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা সম্ভবত আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের কিছু দ্বীপ দখলের ছক কষছে। সেখানে তারা ইতিমধ্যে বহু সেনা ও সরঞ্জাম জড়ো করেছে।”

পূর্ববর্তী সংঘাত ও যুদ্ধবিরতি: উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। এরপর টানা ৪০ দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলে। এই সময়ে ইরানও পাল্টা জবাব দেয়। ইসরায়েলি ভূখণ্ডের পাশাপাশি উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে তেহরান।

পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান প্রাথমিকভাবে দুই সপ্তাহের এক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়, যা গত ৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়। ২২ এপ্রিল এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনির্দিষ্টকালের জন্য এর মেয়াদ বাড়ান; যা এখনো চলমান রয়েছে।

নতুন করে যুদ্ধের শঙ্কা: যুদ্ধবিরতি চলাকালীন দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি কোনো পক্ষ। ফলে যেকোনো মুহূর্তে নতুন করে পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হওয়ার শঙ্কা প্রথম থেকেই রয়ে গেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে। (সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল)

সর্বশেষ নিউজ