ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে তার জানাজা শুরু হবে। এরপর আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৯ জুলাই তার জন্মস্থান ও পবিত্র শহর মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।
জানাজা ও দাফনের বিস্তারিত কার্যক্রম
ইসলামি রীতি অনুযায়ী সাধারণত দ্রুত দাফন সম্পন্ন করার নিয়ম থাকলেও, বিশেষ রাজনৈতিক ও যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে এবার সময়ের দীর্ঘসূত্রতা দেখা যাচ্ছে। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী:
-
৪ জুলাই: তেহরানে জানাজার সূচনা।
-
৭ জুলাই: তেহরানের দক্ষিণের পবিত্র শহর কওমে বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান।
-
৯ জুলাই: জন্মস্থান মাশহাদে চূড়ান্ত দাফন সম্পন্ন হবে।
মৃত্যুর প্রেক্ষাপট ও উত্তারাধিকার
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রথম দিনে তেহরানে কেন্দ্রীয় কমপাউন্ডে বিমান হামলায় ৮৬ বছর বয়সী এই নেতার মৃত্যু হয়। ৩৬ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করা খামেনির মৃত্যুর ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। ঐ হামলায় তার ছেলে মোজতবা খামেনির স্ত্রী নিহত এবং মোজতবা নিজে আহত হন। বর্তমানে মোজতবা খামেনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
খামেনি তার দীর্ঘ শাসনামলে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন এবং হিজবুল্লাহর মতো মিত্র গোষ্ঠীর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সামরিক প্রভাব সুসংহত করেছিলেন।

