প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১জুন মালয়েশিয়া সফরে গিয়েছেন। সেখান থেকে ২৩ জুন তিনি চীন সফরে যাবেন, ২৬জুন পর্যন্ত চীনে অবস্থান করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এ দুই দেশ সফর দেশের মানুষের কাছে আশাব্যঞ্জক প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে। কারণ এ দুটি দেশ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। বাংলাদেশের শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের অন্যতম বড় ক্ষেত্র মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের শ্রমিকরা মসৃণভাবে প্রবেশ করে তাদের নিরাপত্তা ও নায্য পারিশ্রমিক যেন পায় তা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবেন বলে মানুষের প্রত্যাশা। উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা বাণিজ্য বিদ্যমান রয়েছে। বাণিজ্য পরিমাণকে আরো সম্প্রসারণ, সহজ পদ্ধতি সংযুক্ত ও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনায় থাকবে বলে প্রত্যাশা করা যাচ্ছে। ব্যবসা বাণিজ্যর সহজ পদ্ধতি উভয় দেশের উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করবে যা অর্থনৈতিক অবস্থানকে আরো মজবুত ভিত্তি তৈরী করতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও এ দু দেশের সাথে সফল আলোচনা হবে বলে আশা করছি। বিনিয়োগ বৃদ্ধি দেশের বেকার সমস্যা দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। বিনিয়োগ ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা সার্বিক পরিবেশ বিশেষত বিনিয়োগ ক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে গুরুত্ব দেয়। তাই দেশের সরকারকে যেমন স্থিতিশীল পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে তেমনি বিরোধীদলসহ সকল রাজনৈতিক দলসমূহকে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল ভুমিকা রাখতে হবে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেশের মানুষের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর ইতিবাচক বক্তব্য ফুটে উঠেছে। এসমস্ত বক্তব্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ব্যবসা বাণিজ্য উন্নয়নসহ বেকারত্ব দুরীকরণের বিষয়গুলো উচ্চারিত হয়েছে। এমতাবস্থায় সার্বিক বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর অত্যন্ত গুরুত্ব রয়েছে। শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বন্ধুত্বপূর্ণ উন্নয়নেও প্রধানমন্ত্রীর এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে আমারা মনে করি।
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর অর্থনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ উন্নয়নে ভুমিকা রাখবে
সম্পাদক

