“তুমি তা-ই, মিডিয়া যা বানায় তোমাকে।”- শঙ্খ ঘোষ
রুচিতে ও জ্ঞানে-গুণে মোহাম্মদ এ আরাফাতের ব্যক্তিগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন নেই কোনও। তবে, দলীয় প্রার্থী হওয়ায় আরাফাতের ব্যক্তিযোগ্যতার সঙ্গে দলের সুনাম-বদনামের মিথষ্ক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে তার নির্বাচনী যোগ্যতা। দলের ভালোয় সে-যোগ্যতার দরবৃদ্ধির সম্ভাবনা যেমন আছে, দলের বদনামে তেমনি দরপতনের আশঙ্কাও।
অন্যদিকে, আইনের প্রসূতিসদনে তেলোত্তমা (তেল+উত্তমা) সংগীত পরিবেশনকারী মমতাজের চেয়ে ‘হিরো আলম’ খ্যাত আশরাফুল আলমের ‘রুচি’ নিঃসন্দেহে শ্রেয়। তাই, আলম সাংসদ হলে সংসদের রুচিগত উত্থান না-ঘটলেও পতনের ন্যূনতম আশঙ্কা নেই৷ তাছাড়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তিনি দলীয় বদনামের দায়মুক্ত। তার একটি অতিরিক্ত যোগ্যতা এই যে— শঙ্খ ঘোষের পঙ্ক্তি অনুসারে মিডিয়া যা বানিয়েছে, আরাফাত তা-ই: কিন্তু আশরাফুল আলমকে ‘হিরো আলম’ বানিয়েছেন আলম নিজে। শুধু তা-ই নয়, মিডিয়াকে নিজের পিছু-নেওয়া পোষা সারমেয়ও বানাতে পেরেছেন। এ বিবেচনায় ‘হিরো আলম’কে সাধুবাদ না জানালেই নয়; অতএব, জানাচ্ছি সাধুবাদ।

