যাকে অনেক মানুষ সক্রিয়ভাবে অপছন্দ করে তাকে সেলিব্রিটি বলা যায় না। কারো জনপ্রিয়তা থাকা মানেই তিনি সেলিব্রিটি এমন হয় না। এরশাদেরও বিপুল জনপ্রিয়তা ছিল, কিন্তু তিনি সেলেব্রিটি ছিলেন না।
হিরো আলমের অ্যাকটিভিজম নিজে সেলেব্রিটি হওয়ার অ্যাকটিভিজম। তাতে একটু স্বার্থপরতাও আছে, যা কিনা আবার অ্যাকটিভিজমের বিরোধী একটা অবস্থাও।
হিরো আলমকে যারা ভালবাসেন তাদের অনেকেই হিরো আলমের ইরিটেট করার প্রাকৃতিক ক্ষমতার কারণে ভালবাসেন।
হিরো আলমের উপস্থিতির মাধ্যমে শত্রুপক্ষকে অপদস্থ করা যায় বইলা ভালবাসেন।
ফ্যাসিবাদী সরকারের পক্ষের লোকদের অপদস্থ করা যাবে ভাইবা অনেক বিপ্লবীরাও দেখি হিরো আলমের গণবিরোধী ভোটে দাঁড়ানোকে খাইয়া না খাইয়া সমর্থন দিতেছেন!
আমি হিরো আলমকে ফ্যাসিবাদী সরকারের চাইতে কম সমস্যাজনক মনে করি না। কারণ তার জনপ্রিয়তা। আজ যারা হিরো আলমকে সমর্থন দিতেছেন, তারাই এক সময় পস্তাইবেন।
এখনই নির্বাচনে দাঁড়ানোর মাধ্যমে হিরো আলম ফ্যাসিবাদের একজন ঘোর সমর্থক হিসাবে গণবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হইছেন। তার কাছ থিকা কোন ভবিষ্যৎ আপনি আশা করেন?
লেখক: কবি

