ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিমের স্ত্রী, শ্যালক ও বান্ধবি রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
spot_img
spot_img
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার মামলায় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল দাউদের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, তার শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ এবং ঘনিষ্ঠ বান্ধবি মারিয়া আক্তার লিমার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যাচেষ্টা, আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার ও দুষ্কর্মে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা চালান। ১২ ডিসেম্বর দুপুরে মতিঝিল থেকে প্রচারণা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে তাকে বহনকারী অটোরিকশায় মোটরসাইকেলযোগে এসে দুর্বৃত্তরা গুলি চালায়।

গুলিতে শরিফ ওসমান হাদি মাথা ও কানের নিচে গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় হেলমেট পরিহিত দুই হামলাকারীকে মোটরসাইকেলে করে গুলি চালাতে দেখা যায়। ঘটনার সময় একই অটোরিকশায় থাকা তার ভাই ওমর বিন হাদি ও সহকর্মীরা ফুটেজ দেখে ফয়সাল করিম মাসুদকে শনাক্ত করেন।

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে সোমবার দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে শরিফ ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে গেছেন ভাই ওমর বিন হাদি এবং বন্ধু আমিনুল হাসান ফয়সাল।

সর্বশেষ নিউজ