আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যাচেষ্টা, আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার ও দুষ্কর্মে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়।
গুলিতে শরিফ ওসমান হাদি মাথা ও কানের নিচে গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় হেলমেট পরিহিত দুই হামলাকারীকে মোটরসাইকেলে করে গুলি চালাতে দেখা যায়। ঘটনার সময় একই অটোরিকশায় থাকা তার ভাই ওমর বিন হাদি ও সহকর্মীরা ফুটেজ দেখে ফয়সাল করিম মাসুদকে শনাক্ত করেন।
মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে।

